Showing posts with label Collected Stories. Show all posts
Showing posts with label Collected Stories. Show all posts

Wednesday, 25 July 2018

Laziness is the root cause of the loss of life.



অলসতা জীবন নষ্টের মূল কারন।


একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করা হল ।
পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত
কিন্তু সে লাফ দেয় না, সে সহ্য করতে থাকে।।

আস্তে আস্তে তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয়
তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার...

কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেল ততক্ষণে,তাই আর তার লাফ দেওয়ার মত শক্তি থাকে না,
পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে গরম পানিতে ফুটে একটা সময় মারা যায় ।

এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা গেছে......??

তাহলে অধিকাংশ মানুষই বলবেন গরম পানির কারনে মারা গেছে।।।।
কিন্তু না সে গরম পানির জন্য মারা যায়নি
সে মারা গেছে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেরিতে নেওয়ার কারনে.....।।।

ঠিক তেমনি সঠিক সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে নিন
এটাই কল্যাণকর কে শক্তিশালী কে দুর্বল এটা না ভেবে নিজের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করুন,,,,,

আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না.......


Facebook থেকে সংগৃহীত।

Thursday, 28 September 2017

প্রতারনা

মেয়েটির সাথে প্রথম যেদিন দেখা সেদিন অনেক রাত। ১ টা কি ১.৩০ বাজে। অফিসে প্রচুর কাজের চাপ ছিল। তাই বাসায় ফিরতে দেরী হলো। বাসা থেকে খানিক দূরে। একটা মেয়ে সামনে এসে দাঁড়ালো। আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। এত রাতে একটি মেয়ে। চুল গুলো অগোছালো। জামার হাতার একপাশে ছেড়া। ঠোঁটের কোন বেয়ে রক্ত পড়ছে। কপাল থেকেও। হাত পা কাঁপছে। বলল আমাকে একটু সাহায্য করুন। প্লিজ আমাকে একটু সাহায্য করুন।
আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনার কি হয়েছে?



–আমি খুব বিপদে পড়েছি। আমাকে বাঁচান প্লিজ।
–কি হয়েছে খুলে বলুন।
–কত গুলো ছেলে আমাকে রেপ করার চেষ্টা করেছিল, আমি পালিয়ে এসেছি।
–চলুন থানায় যাই।
–না না। আমি চাইনা আমার জন্য আমার ফ্যামিলির কোন বদনাম হোক।
–চলুন তাহলে আপনাকে বাসায় দিয়ে আসি।
–না না, কেউ দেখলে প্রবলেম হবে।
–তাহলে কীভাবে সাহায্য করবো?
–যদি কিছু মনে না করেন, আমাকে কিছু টাকা ধার দিবেন? কথা দিচ্ছি ফেরত দিয়ে দেবো।

আমি ওকে মানিব্যাগ থেকে সাথে সাথে টাকা বের করে দিলাম। কেন জানি ওকে বিশ্বাস হল। মনে হল টাকা না দিলেও সমস্যা কি। কাউকে সাহায্য তো করতে পারলাম। আমি ওকে এক হাজার টাকা ও সাথে মানিব্যাগে থাকা যত খুচরো টাকা ছিল সব দিয়ে দিলাম। ও বলল
–আমি সত্যিই আপনার টাকা ফেরত দিবো। বিশ্বাস করতে পারেন।
–সে ঠিকাছে। আপনি কোথায় যাবেন? চলুন সিএনজি ঠিক করে দেই। বাসা কোথায় আপনার?
–এখানে বড় ফুপুর বাসায় থেকে লেখা পড়া করি। গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর।
বলুন না আপনার টাকা কীভাবে ফেরত দিবো।
–দিয়েন কখনো আবার দেখা হলে।
–না প্লিজ আমি আপনার টাকাটা ফেরত দিতে চাই।

আমি পকেট থেকে অফিসের একটা কার্ড বের করে দিলাম। বললাম পেছনে আমার মোবাইল নাম্বার আছে।
খানিক বাদে একটা সিএনজি সামনে এলো। ও সেটাতে উঠে পড়ল। আমাকে বলল ধন্যবাদ, আসি।
ওর বাসাটা কোথায় শোনা হলো না। আমি বাসায় চলে আসলাম।

ঠিক দুই দিন পর রাতে একটা আননোন নাম্বার থেকে কল আসলো। সেই মেয়েটি। মেয়েটা দেখতে যেমন সুন্দর কণ্ঠটা ও বেশ সুরেলা। বলল আপনাকে টাকাটা দিতে চাই। আমি বললাম এ কথা বলার জন্য কল দিয়েছেন।
– জি মানে।
– তা কত টাকা যেন?
– এক হাজার দুশো পঁচাত্তর টাকা মাত্র।
– হাহাহা তাই?
– হুম। আর আপনি কেমন আছেন তাই শুনতে কল করেছি।
– আমি ভালোই। আপনি?
– জি আপনার জন্য ভালোই আছি। দেখা কবে করবেন বলুন?
–আমি অফিসের কাজে একটু বিজি আছি। কিছু দিন পর দেখা করি।
–আচ্ছা। কিন্তু আপনার টাকাটা লাগে যদি।
– না লাগবে না। ওটা আপনার কাছে জমা থাক।আমার কাছে আসলে তো খরচ হয়ে যাবে।

ও হেসে ফেলে। এই মেয়ের হাসিও তো অনেক সুন্দর। আমাদের প্রায় প্রতিদিনই কথা হতে থাকে। কাজের চাপে দেখা করা হয়ে ওঠে না। দুই মাস অতিবাহিত হয়। আমি তার প্রতি উইক হয়ে পড়ি, এক কথায় তাকে ভালোবেসে ফেলি। কি যেন মায়া আছে সব কিছুতে। ওকে প্রপোজ ও করে ফেলি। ও রাজি হয়ে যায়। ঠিক করি মাসের শেষে কাজের চাপ কমে যাবে। বৃহস্পতিবার তাড়াতাড়ি অফিস ও ছুটি ওই দিন দেখা করবো। দীর্ঘ দুই মাস পর দেখা। দুই মাস বেশি কিছু না তাও আমার কাছে দুই বছর মনে হলো। তারপর এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আমি খুব এক্সসাইটেড ছিলাম। মেয়াটা মানে আমার ভালোবাসার মানুষ টা নীল একটা শাড়ি পরে এসেছিল। মনে হচ্ছিলো যেন আকাশ থেকে নীল পরী এসেছে। ও বলল চলো কোথাও নিরিবিলি জায়গায় বসি গিয়ে। ঠিক করলাম নদীর পাড়ে যাবো। গেলাম ও নদীর পাড়ে। জায়গাটা খুব সুন্দর আর নিরিবিলি ও। খানিকক্ষণ গল্প করলাম।আমাকে টাকা টা দিলো। নিতে চাইনি তাও জোর করে দিলো। তারপর ব্যাগ থেকে একটা ছোট টিফিন বক্সের মত বের করলো তাতে আমার পছন্দের গাজরের হালুয়া। ছোট বেলায় মা রেঁধে খাওয়াতো। মা চলে যাওয়ার পর থেকে আর খাওয়া হয়নি। সে ফুপুর চোখকে ফাঁকি দিয়ে নিজ হাতে আমার জন্য রেঁধে এনেছে। জোর করে সব খাওয়ালো।
তারপর..... তারপর আর কিছু মনে নেই।

আমার সাথে থাকা ল্যাপটপ, মাসের ফুল বেতন, মোবাইল সব নিয়ে গেছে। স্থানীয় কিছু জেলে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। ডাক্তার বলল আর একটু দেরী হলে আমাকে বাঁচানো যেন না। ওষুধের যে মাত্রা ছিল তা খুব সামান্য তাতেই আমার খুব খারাপ অবস্থা।
ও বলেছিল ওর নাম মায়া। আসলে নামটা সত্যি নাকি ওর বানানো তা জানি না। তাই নামটা শেষে বললাম। এখনও ওকে খুঁজি। আর ওই ঘটনার পর থেকে কোনও মেয়েকেই বিশ্বাস হয় না।

Collected


* আপনার কবিতা এই ওয়েবসাইট এ প্রকাশ করতে চাইলে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল লিংক ও কবিতা আমাদের কে ইমেইল করুন: itinfoworld.xyz@gmail.com

Wednesday, 31 May 2017

মা




ছেলে মাকে বলছে, "মা" তুমি আমার জন্য জীবনে অনেক কষ্ট করেছো! বলো তোমার কি খেতে মনে চায়??! আমি আজ তোমার ঋন শোধ করবো!!
মা বলছে বাবা তাহলে বাজার থেকে ১টি কলা নিয়ে আসো!!!
তারপর ছেলে রাতে কলা নিয়ে এলো!!!!
মা বলছে বাবা কলাটি তোমার বুকে উপরে রাখো যখন আমি চাবো তখনি দিও!!.
ছেলে ঘুমিয়ে গেলে পিঠের নিচে পরে কলাটি চ্যাপটা হয়ে যায়!!!
সকাল বেলা মা এসে কলা চাচ্ছে!!!..ছেলে বলছে মা কলা পিঠের নিচে পরে চ্যাপটা হয়ে গেছে!!!...
মা প্রয়োজনে আমি ১টি কলা এনেদিবো!!!!....
মা বলছে বাবারে তোমাকে আমি পৌষ মাসের শীতে ডান কাদে শুয়ায়ছি প্রসাব করে দিয়েছিস!!!!.....বাম কাদে শুয়ায়াছি প্রসাব করে দিয়েছিস!!!!!!.....তারপর বুকে শুয়ায়ছি,প্রসাব করে দিয়েছিস!!!!!...... কই ১দিনের জন্য তো পিঠের নিচে তোরে ফালাইনি!!!!! তুই কি করে বলিস মায়ের ঋন শোধ করে দিবি??????
পৃথিবীতে কেবল মাএ বাবা মা তার সন্তানকে স্বার্থহীন ভাবে ভালবাসে!!!!!!!!!!!!!!
মা কথাটি ছোট অতি,
কিন্তু
প্রতিটি সন্তানের জীবনে শ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে তার মা!!!


ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। 

Saturday, 26 November 2016

অপেক্ষা

পিছনের দিনগুলির কথা মনে করে রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়া নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। রাত যতবার আসে মনের সাথে অক্লান্ত যুদ্ধ করি স্মৃতির পাতা খুলবো না, দেখবো না, মনে করবো না। কিন্তু পারিনা। যতই চাই তাড়িয়ে দিতে কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হই। স্মৃতিতে প্রিয়মুখ গুলো ভীড় করে হ্নদয় অলিন্দে। নাহ, আর খুলতে চাই না স্মৃতির পাতা, ভাসাতে চাই না নিজেকে শ্রাবন ঢলে। ভাসতে চাই না আর কালস্রোতে। ভাসতে ভাসতে আমি ক্লান্ত।

প্রতিটা রাতের শুরুতে ভাবি, আজ আকাশ দেখবো, তারা গুনবো, চাঁদের সাথে কথা বলবো। ওদের সাথেই কাটাবো সারারাত। বিশ্বাস আছে তাদের ওপর, তোমার মত বেওয়াফা হবে না। ইচ্ছে করে রাতগুলো আকাশ দেখে কাটাবো। কিন্তু রাত হলেই অশ্রুদেবী চোখ মনের দরজায় কড়াঘাত করে। মনের সাথে ইচ্ছের পরাজয়ে কেঁদে কেঁদে সারারাত পোহাতে হয়। আর আকাশ দেখা হয় না। তুমি এতটাই স্বার্থবাদী যে, আমার মনকে তোমার বশে করে রেখেছো। চলে গেছো তবুও বশীভূত করে জ্বালিয়ে মারছো। দেখবো, কতদিন এভাবে আমাকে জ্বালাতন করো। তুমি ভালো করেই জানো, এমন একটা রাত আসবে যে রাত আমি আকাশ দেখে তারা দেখে চাঁদের সাথে কথা বলে কাটাবো। তার বিনিয়মে তারা আমাকে সুন্দর সকাল উপহার দিবে। নতুন করে বাঁচার তাগিদ দিবে।


........ অপেক্ষায় আছি, 

আমি অপেক্ষায় আছি কষ্টের রাতগুলো নিরসনের জন্য.............

 

সুমন রায় (প্রিয়)
নীলফামারী।




Saturday, 20 August 2016

মানুষ থেকে কুমীর হওয়ার আশ্চর্য ঐতিহাসিক ঘটনা! (সংগৃহীত)




ঘটনাটি ১৬১৩ খ্রীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ের। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পূর্বপাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে মধুমতি নদী। এই নদীর একটি ঘাটের নাম নদের চাঁদ ঘাট। নদের চাঁদ একজন মানুষের নাম। নদের চাঁদ যাদু বিদ্যা শিখে মানুষ থেকে কুমিরে পরিণত হয়েছিলেন। পরে স্ত্রীর ভুলের কারণে আর মানুষ হতে পারেননি। মানুষ থেকে কুমির হওয়ার এই কিংবদন্তি কাহিনী আজও এ এলাকার মানুষের মুখে মুখে ভাসে।



নদের চাঁদের এই কাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে যাত্রা নাটকএমনকি সিনেমা। তার নামে রয়েছে পুরো একটি মৌজা, গ্রাম, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

অনেক দিন আগের কথা।
১৬১৩ খ্রীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে, উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামে অতি সাধারণ পরিবারে বাস করতো নদের চাঁদ। মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত তার পিতা। নদের চাঁদের তখনও জন্ম হয়নি। জন্মের আগেই নদের চাঁদের বাবা গদাধর পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে মারা যান। একমাত্র সন্তান বুকে ধরে দিন কাটে তার।

নদের চাঁদ এক সময় যৌবনে পা দেয়। মা চায় না নদে তার বাবার মতো মাছ ধরতে নদীতে যাক। সে চায় নদে বিয়ে করে সংসারি হোক, ক্ষেত খামারে কাজ করুক। কিন্তু সংসার বিবাগী নদের ঘরে মন বসেনা।

গভীর রাতে নদের কাউকে কিছু না বলে বেড়িয়ে পড়ে অজানার পথে। নদে দশ বছর পর আবার বাড়ি ফিরে আসল। এর মধ্যে তার মা বৃদ্ধা হয়ে গেছে।

নদের মা এবার তাকে বিয়ে দিল। বউয়ের ভালবাসা তাকে ঘরে আটকে রাখলো। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছিল সুখ ও আনন্দে।

দীর্ঘ দশ বছর নদের অন্তর্ধানের রহস্য খুলে বলে স্ত্রী সরলার কাছে। দশ বছর সে কামরুখ (আসাম) ছিল। ওখানে সে এক মহিলার কাছে যাদু বিদ্যা শেখে। এ যাদুর বলে সে কুমীর হতে পারে। এই কথা শুনে সরলা কুমির হওয়ার জন্য বায়না ধরে।

গভীর রাতে নদে দুটি পাত্রের পানিতে মন্ত্র ফুক দিলো। তারপর সরলাকে বললো- ‘একটি পাত্রের পানি গায়ে ছিটিয়ে দিলে কুমির হবে, অন্য পাত্রের পানি ছিটালে সে আবার মানুষ হবে।

নদের চাঁদ কুমীর হয়ে গেলো। ভয়ে সরলা দৌড়ে পালাতে গিয়ে পায়ের ধাক্কায় মাটিতে গড়িয়ে পড়লো পেয়ালার পানি।

বাড়িতে কান্নার রোল পড়লো। সে কুমির হয়ে গড়াগড়ি দিতে লাগলো। আর সরলার দিকে চেয়ে অসহায় দৃষ্টি নিয়ে অশ্রু বিসর্জন দিতে লাগলো। এর তিনদিন পর নদের চাঁদ কুমির বেশে বাড়ির পাশে মধুমতি নদীর পানিতে নেমে পড়লো।

প্রতিদিন নদের চাঁদের মা নদীর ঘাটে বসে চোখের জল ফেলে। কয়েকদিন পর কামরুখ থেকে নদের চাঁদের মহিলা উস্তাদকে খবর দিয়ে আনা হলো।

সে মধুমতি নদীর পাড়ে এসে নদের চাঁদ বলে ডাক দিলো তখন কুমীর নদের চাঁদ মুখে ইলিশ মাছ নিয়ে উঠে এলো ডাঙ্গায়। তখন উস্তাদ জানালো নদের চাঁদকে আর মানুষ করা যাবে না। কারণ সে আহার করে ফেলেছে।

মা ডাকলেই নদের চাঁদ ঘাটে চলে আসত। মায়ের হাতের খাবার খেয়ে আবার নদীতে ফিরে যেত। কিছুদিন পর নদী দিয়ে একদল বণিক জাহাজ যোগে যাওয়ার সময় চরে বিরাট একটি কুমির দেখতে পায়। তারা কুমিরটি মেরে ফেলে। পরে জানাজানি হলে লোকজন মৃত কুমিরটি উদ্ধার করে হিন্দু রীতি অনুযায়ি সৎকার করে।

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মানুষের মুখে মুখে এ কিংবদন্তী আজও শোনা যায়। মহম্মদপুর উপজেলা সদর থেকে সামান্য দূরে পূর্ব দিকে মধুমতীর তীরে ‘নদের চাঁদ ঘাট’ আছে।



মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পূর্বপাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে মধুমতি নদী

 

এককালে এখানে স্টিমার ভিড়তো। এ ঘাটের পাশেই একটু দূরে আজও পাঁচুড়িয়া নামে একটি গ্রাম আছে। নদের চাঁদ নামে একটি গ্রাম, বাজার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। অনেক জায়গা থেকে আজও লোকজন নদের চাঁদের ঘাট দেখতে আসে।

আপনার সকল প্রশ্ন করুন এখানে  

এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত পড়ুন  
  1. নদের চাঁদ
  2. যাদুবিদ্যার বলে মানুষ পরিনত হল কুমিরে!

Friday, 10 June 2016

Take Right Decision in Right Time - Moral Story


 সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করা হল ,,,।
পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত
কিন্তু সে লাফ দেয় না,,, । সে সহ্য করতে থাকে,,, ।
আস্তে আস্তে তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয়
তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার
কিন্তু তখন আর তার লাফ দেওয়ার মত শক্তি তার থাকে না,,,।
পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে গরম পানিতে ফুটে একটা সময় মারা যায়।
এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা গেছে ??
তাহলে অধিকাংশ মানুষই বলবেন গরম পানির কারনে মারা গেছে,,, ।
কিন্তু না সে গরম পানির জন্য মারা যায়নি
সে মারা গেছে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেরিতে নেওয়ার কারনে,,,।
ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে
একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে কিন্তু
আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও
আমাদের বুঝতে হবে কখন সরে যাওয়া উচিত অর্থাৎ
সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত সঠিক সময় নেওয়া উচিত ,,,।
আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না ,,,।


- এই গল্পটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।